পোল্ট্রি মুরগির বিষ্ঠা মাছের খাদ্য হিসেবে ব্যবহার করে জনস্বাস্থ্যের মারাত্মক ঝুঁকি সৃষ্টি করার অভিযোগে যশোরের কেশবপুর উপজেলায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালিত হয়েছে। অভিযানে এক ঘের মালিককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
জানা গেছে, গৌরীঘোনা ইউনিয়নের সন্ন্যাসগাছা গ্রামের একটি মাছের ঘেরে দীর্ঘদিন ধরে পোল্ট্রি মুরগির বিষ্ঠা মাছের খাদ্য হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছিল। এই মাছ পরবর্তীতে বাজারে বিক্রি হয়ে সাধারণ মানুষ, এমনকি শিশুদের খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে, যা শরীরে বিভিন্ন ধরনের রোগ-বালাইসহ ক্যান্সারের মতো মারাত্মক রোগের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উক্ত ঘের মালিক মতিয়ার রহমানকে এর আগেও এ ধরনের কাজ থেকে বিরত থাকার জন্য নিষেধ করা হয়েছিল। কিন্তু প্রশাসনের নির্দেশ অমান্য করে তিনি তা অব্যাহত রাখেন।
আজ অভিযানের সময় ঘেরের ম্যানেজার দেবাশীষ রায়কে মুরগির বিষ্ঠাসহ হাতেনাতে আটক করা হয় এবং কেশবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেকসোনা খাতুনের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত সরেজমিনে মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালনা করে।
মোবাইল কোর্ট মৎস্য খাদ্য ও পশু খাদ্য আইন, ২০১০ অনুযায়ী ঘের মালিক মতিয়ার রহমানকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন এবং তা তাৎক্ষণিকভাবে আদায় করা হয়।
উপজেলা প্রশাসন জানায়, জনস্বার্থে ও নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে। একইসঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সতর্ক করে বলা হয়েছে, অবৈধ ও ক্ষতিকর উপায়ে মাছ ও পশুপাখির খাদ্য প্রস্তুত বা ব্যবহার করলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।