নগরীর উত্তর পতেঙ্গাস্থ কাঠগড় বাজার এলাকায় মূল সড়কের উপর ও ফুটপাতের দোকান এবং অবৈধ স্থাপনা স্থায়ীভাবে উচ্ছেদ করতে ভুক্তভোগী- পথচারীদের দীর্ঘদিনের প্রাণের দাবি।
এই পথটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং পর্যটকদের প্রধান সড়ক ও ভিওআইপি রোড হিসেবেও প্রতিয়মান।
কিন্তু কোন এক অদৃশ্য শক্তি ও প্রশাসনের দৃষ্টি অনাগোচর , কিছু প্রাতি- অজাতি এবং লোভী প্রকৃতির ব্যাক্তি বর্গ, নেতাদের আশ্রয় প্রশ্রয়ে সেন্ডিকেটকারীদের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা সম্ভব হচ্ছে না বা অদৃশ্যের ক্ষমতার বলয়ে পুলিশ প্রশাসনের উচ্ছেদের পর আবারো বহাল তবিয়তে ভাসমান দোকান স্থাপন করে।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ স্থায়ী ভাবে এই অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করতে না পারলে এ অভিযান দিয়ে কোন লাভ হবে না। লোক দেখানো অভিযান তাতে আরো নতুন ভাবে বাড়ছে দখলদারিত্ব।
এই প্রসঙ্গে টিআই (পতেঙ্গা)ও থানা পর্যায়ের পুলিশ দল এবং স্থানীয় সচেতন নাগরিক, রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মী নিরলস ভাবে দায়িত্ব পালন করেও অনৈতিক কাজে লিপ্ত থাকাদের সরানো যাচ্ছে না।
তিনি বলেন,একটি মহল কিংবা চক্র আমরা কখন অভিযান স্থান ত্যাগ করি বা স্থান ত্যাগ করে যাই তা উৎপত্তি থেকে আবারো দোকান বসিয়ে কাঠগড় মোড়ে দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি করে চলেছে।
এই পথে স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রী, মহিলা কলেজের ছাত্রী, কিন্ডারগার্টেন স্কুলের শিক্ষার্থী, দুই ইপিজেডের হাজার হাজার শ্রমিক কর্মচারী,সী- বীচের পর্যটকদের কিছু অংশ এবং বিমান যাত্রী সহ নিয়মিত পথচারী গণ ফুটপাত ধরে চলাচল করে। মূল সড়কের অধিকাংশ ক্ষেত্রে রিক্সা সহ ভ্যান গাড়িত ওচকি বসিয়ে বাজার বসানোতে প্রতিনিয়তই বাধাগ্রস্ত হচ্ছে যান চলাচল।
এতে মারাত্মক ঝুঁকি নিয়ে এবং দূর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন অনেকেই।
তবে সড়ক নিয়ে অভিযানগুলো সফল হতো যদি স্থানীয় থানা প্রশাসনের আইন প্রয়োগ কঠোর থাকতো এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও ভুক্তভোগীদের অভিযোগ আমলে নিয়ে যথাযথ কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থা গ্রহণে।
আজকের চলমান উচ্ছেদের পর যদি অসাধু ব্যবসায়ীরা বা দুষ্টু চক্রের অনৈতিক কার্যকলাপ চালিয়ে এই উদ্যোগ কে নষ্ট করেন তাহলে আপনি, আমি, আমরা সবাই দোষীদের দলে অন্তর্ভুক্ত হয়ে জাতির কাছে চির দিন দোষী সাব্যস্ত থাকিব….!!!
তাই সড়কের পাশে পর্যাপ্ত খোলা স্থানে ফুটপাত ব্যবহার করার সুযোগ দিন।